দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর সোমবার (৬ এপ্রিল) তিনজন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করলে বিচারক মো. মুমিনুল হক এ নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তনুর ব্যবহৃত কিছু পোশাক থেকে আগে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে তা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। এ অবস্থায় আদালত ওই তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করে মিলিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন তিনজনই সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আদালত পরবর্তী তারিখে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন তনু। পরে একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডি দীর্ঘদিন তদন্ত করলেও রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। পরে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি পিবিআইয়ে হস্তান্তর করা হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।
এদিকে আদালতে উপস্থিত হয়ে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাইব। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিচার চেয়ে ঘুরছি। এক মাসের মধ্যে বিচার না পেলে আত্মহত্যা করব।’
এমএস/